1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মহানবী (সা.) কোরবানির গোশত যেভাবে বণ্টন করতেন - Janatar Jagoron
শিরোনাম

মহানবী (সা.) কোরবানির গোশত যেভাবে বণ্টন করতেন

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫
  • ৩৮৯ বার পঠিত
কোরবানির গোশত

কোরবানি: হৃদয়ের তাকওয়া প্রকাশের প্রকৃত ইবাদত!
অনলাইন ডেস্ক

কোরবানি মুসলমানদের জন্য এক অসাধারণ ইবাদত, যার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জনের এক দুর্লভ সুযোগ সৃষ্টি হয়। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে কোরবানির অর্থ—আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে প্রিয় কিছু তাঁর পথে উৎসর্গ করা। এটি কেবল পশু জবাই নয়, বরং বান্দা ও প্রভুর মাঝে আত্মনিবেদন, ভালোবাসা ও আজ্ঞাবহতার এক বিশুদ্ধ প্রতিচ্ছবি।

ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব। আল্লাহর নির্দেশ পালন ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কোরবানি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায়। সামর্থ্যবান নারী-পুরুষের ওপর কোরবানি ওয়াজিব এবং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর অন্যতম।

আদম (আ.) থেকে শুরু করে প্রতিটি নবীর যুগেই কোরবানি পালিত হয়ে এসেছে। এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানের অংশ—যার মাধ্যমে ইসলামী চেতনা ও পরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। পাশাপাশি, কোরবানি গরিব-দুঃখী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের জন্য এক অপূর্ব আপ্যায়নের সুযোগ তৈরি করে।

কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য, আত্মত্যাগ ও নিবেদনের স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়। মহানবী (সা.)-কে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন—“আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি দিন” (সুরা কাওসার : ২)।
আরও এসেছে—“বলুন, আমার নামাজ, কোরবানি, জীবন ও মৃত্যু—all কিছুই রাব্বুল আলামিনের জন্য” (সুরা আনআম : ১৬২)।

কোরবানির পশুর মাংস বণ্টনে ইসলামী শরিয়তের রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা। হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সা.) তিন ভাগে গোশত বণ্টন করতেন—একভাগ পরিবারের জন্য, একভাগ গরিব প্রতিবেশীর জন্য ও একভাগ অভাবী মিসকিনদের জন্য।

ইবন মাসঊদ (রা.)-এর বর্ণনায়ও একই শিক্ষা পাওয়া যায়—তিনভাগে মাংস ভাগ করে একভাগ নিজেরা খেতেন, একভাগ যাকে ইচ্ছা দিতেন এবং একভাগ গরিবদের জন্য রাখতেন।

কোরবানির মাংস আত্মীয় ও দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন না করা মারাত্মক গর্হিত কাজ। এটি কৃপণতার প্রতিফলন এবং ইসলামী মূল্যবোধের পরিপন্থী। কোরবানি আত্মশুদ্ধির একটি মাধ্যম, যা অহংকার ও আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে দূরে রাখে।

সুরা হজের ৩৭-৩৮ আয়াতে বলা হয়েছে—“আল্লাহর কাছে কোরবানির মাংস বা রক্ত পৌঁছায় না, বরং পৌঁছে একমাত্র তোমাদের তাকওয়া। এজন্যই এসব পশু তোমাদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে তোমরা আল্লাহর মাহাত্ম্য ঘোষণা করতে পারো। হে নবী! সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ দিন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ঈমানদারদের রক্ষা করবেন। তিনি বিশ্বাসঘাতক ও অকৃতজ্ঞদের পছন্দ করেন না।”











পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..